১৫ কোটি বাঙ্গালীর শান্তির প্রতিক আল্লামা সিরাজুল ইসলাম( বড় হুজুর) রহঃ
ইতিহাসে জঘন্যতম কলঙ্ক পরিচ্ছেদের নাম "বাবরী মসজিদ ভাঙ্গন"
উগ্রপন্থী হিন্দু সম্প্রদায়ের লিডারদের নির্দেশনায় গুজরাটে ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ গুড়িয়ে দিয়ে ছিল হিন্দু সম্প্রদায়।
এরই সূত্রধরে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিস্তৃত মুসলিম উম্মাহ্ জীবন বাজি রেখে হুঙ্কার দিয়ে আকাশ পাতাল কাঁপিয়ে তুলে।
তখন নিরহ হিন্দুরা ভয়ে কম্পমান, বিশেষ করে বাঙ্গালী।
ঐ সময় বাংলাদেশ হিন্দু ঐক্য পরিষদে ব্রাক্ষণরা মিলে "বড় হুজুর" আল্লামা সিরাজুল ইসলাম (রাহঃ)-এর স্বরণাপন্ন হয়ে ছিল।
হুজুরের কাছে শ্রদ্ধার সাথে বিনয়ের সঙ্গে কাপু কাপু কন্ঠে একজন বলতে ছিল... হুজুর! ভারতে আমরা সংখ্যাগরিষ্ট হতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সামান্য, এখানে আপনাদের সাথে আমাদের রাস্ট্রিয় ভ্রাতিত্ব সম্পর্ক।
আমাদের প্রতি মুসলমানের কৃপা না থাকলে চলা কঠিন ছিল।
তথাকথিত মানবতাহীন ভারতে আমাদের স্বজাতি উগ্রহিন্দু যে অসভ্য কর্মসাধন করেছে তাতে আমরা নিশ্চয় মর্মাহত ও লজ্জিত।
এরই পাশাপাশি মুসলিম জনরোষে ফুসে উঠেছে গোটা বিশ্ব, শীঘ্রয় শুরু হবে মন্দির ভাঙ্গন ও হিন্দু নিধন কর্মসূচী।
তাই সমস্ত বাংলাদেশ মুসলিম জনতা আপনার অর্ডার পেলেই সেই কার্যক্রম চালিয়ে দেবে।
অতএব আমরা হিন্দু পরিষদের গুরুজন মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, প্রয়োজনে স্বতঃস্ফূর্ত মূর্তি-সহ উপাসনালয় ভেঙ্গে দিব, মুসলমানের হস্তক্ষেপ নিবনা, সংঘাতেও যাবনা।
এখন আপনার মুর্জিমাফিক নির্দেশনা দিন
* হয়তো উত্তেজিত জনতাকে শান্তির বাণী দিয়ে থামিয়ে আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করুন,
* নতুবা আমাদেরকে মন্দির ভাঙ্গার আদেশ করুন।
"বড় হুজুর" বড় মনের মানুষ ছিলেন,
কিছুক্ষণ চুপ থেকে রাসুল (সাঃ)-এর ৬৩ বৎসর যিন্দেগীর সেই এহসানের প্রতি লক্ষ্য রেখে তাদেরকে ইসলামের ঐশী বাণী শোনিয়ে বল ভরসা দিয়েছেন,
কাটিয়ে দিলেন চেহারার গ্লানি ও হতাশার ঘোর, দিয়েছিলেন উজ্জল মুখে বিদায়।
অন্যদিকে আমাদের দিয়েছেন শান্তনার ছায়া, দেশবাসীকে লক্ষ্য করে বলেন... বেধর্মী নির্বোধ ব্যাতিত উপাসনালয় ভাঙ্গার মতো জঘন্যতম কাজ করিতে পারে না।
এর মাধ্যমে সূত্রপাত হতেপারে ফিতনা ফাসাদ,
الفتنة اشد من القتل
ফেতনা হত্যার ছেয়েও জঘন্য।
সুতরাং তারা যা করেছে আমরা যদি পাল্টা তাই করি, তবে এই বর্বর মালোয়ান আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য রহিল কোথাই (?)
নিরহ অমুসলিমদের নিরাপত্তার কথা শোনিয়ে ছিলেন সেই দিন
writer "mufti siraji
ইতিহাসে জঘন্যতম কলঙ্ক পরিচ্ছেদের নাম "বাবরী মসজিদ ভাঙ্গন" উগ্রপন্থী হিন্দু সম্প্রদায়ের লিডারদের নির্দেশনায় গুজরাটে ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ গুড়িয়ে দিয়ে ছিল হিন্দু সম্প্রদায়।
এরই সূত্রধরে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিস্তৃত মুসলিম উম্মাহ্ জীবন বাজি রেখে হুঙ্কার দিয়ে আকাশ পাতাল কাঁপিয়ে তুলে।
তখন নিরহ হিন্দুরা ভয়ে কম্পমান, বিশেষ করে বাঙ্গালী।
ঐ সময় বাংলাদেশ হিন্দু ঐক্য পরিষদে ব্রাক্ষণরা মিলে "বড় হুজুর" আল্লামা সিরাজুল ইসলাম (রাহঃ)-এর স্বরণাপন্ন হয়ে ছিল।
হুজুরের কাছে শ্রদ্ধার সাথে বিনয়ের সঙ্গে কাপু কাপু কন্ঠে একজন বলতে ছিল... হুজুর! ভারতে আমরা সংখ্যাগরিষ্ট হতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সামান্য, এখানে আপনাদের সাথে আমাদের রাস্ট্রিয় ভ্রাতিত্ব সম্পর্ক।
আমাদের প্রতি মুসলমানের কৃপা না থাকলে চলা কঠিন ছিল।
তথাকথিত মানবতাহীন ভারতে আমাদের স্বজাতি উগ্রহিন্দু যে অসভ্য কর্মসাধন করেছে তাতে আমরা নিশ্চয় মর্মাহত ও লজ্জিত।
এরই পাশাপাশি মুসলিম জনরোষে ফুসে উঠেছে গোটা বিশ্ব, শীঘ্রয় শুরু হবে মন্দির ভাঙ্গন ও হিন্দু নিধন কর্মসূচী।
তাই সমস্ত বাংলাদেশ মুসলিম জনতা আপনার অর্ডার পেলেই সেই কার্যক্রম চালিয়ে দেবে।
অতএব আমরা হিন্দু পরিষদের গুরুজন মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, প্রয়োজনে স্বতঃস্ফূর্ত মূর্তি-সহ উপাসনালয় ভেঙ্গে দিব, মুসলমানের হস্তক্ষেপ নিবনা, সংঘাতেও যাবনা।
এখন আপনার মুর্জিমাফিক নির্দেশনা দিন
* হয়তো উত্তেজিত জনতাকে শান্তির বাণী দিয়ে থামিয়ে আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করুন,
* নতুবা আমাদেরকে মন্দির ভাঙ্গার আদেশ করুন।
"বড় হুজুর" বড় মনের মানুষ ছিলেন,
কিছুক্ষণ চুপ থেকে রাসুল (সাঃ)-এর ৬৩ বৎসর যিন্দেগীর সেই এহসানের প্রতি লক্ষ্য রেখে তাদেরকে ইসলামের ঐশী বাণী শোনিয়ে বল ভরসা দিয়েছেন,
কাটিয়ে দিলেন চেহারার গ্লানি ও হতাশার ঘোর, দিয়েছিলেন উজ্জল মুখে বিদায়।
অন্যদিকে আমাদের দিয়েছেন শান্তনার ছায়া, দেশবাসীকে লক্ষ্য করে বলেন... বেধর্মী নির্বোধ ব্যাতিত উপাসনালয় ভাঙ্গার মতো জঘন্যতম কাজ করিতে পারে না।
এর মাধ্যমে সূত্রপাত হতেপারে ফিতনা ফাসাদ,
الفتنة اشد من القتل
ফেতনা হত্যার ছেয়েও জঘন্য।
সুতরাং তারা যা করেছে আমরা যদি পাল্টা তাই করি, তবে এই বর্বর মালোয়ান আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য রহিল কোথাই (?)
নিরহ অমুসলিমদের নিরাপত্তার কথা শোনিয়ে ছিলেন সেই দিন
writer "mufti siraji
বহুদিন পর বড় হুজুর রহঃ সম্পর্কে কোন লেখা দেখলাম
উত্তরমুছুন