ক্যাটাগরি

শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০১৫

বাংলাদেশ ফেতনাবাজ লা-মাযহাবীদের প্রতি জনসাধারণের সজাগ দৃষ্টি

দেওবন্দী রত্ন ফখরে বাঙ্গাল তাজুল
ইসলাম রহঃ এর অসাধারণ
যুক্তি
 ;

বিচ্ছিন্নতাবাদী লা-মাযহাবী
ভাইরা একটু দেখবেন কি?
.
ফখরে বাঙ্গাল হযরত
মাওলানা তাজুল ইসলাম
(রহ.) ছিলেন বাংলার
গৌরব। এজন্যই উনার
উপাধি ছিলো ফখরে
বাঙ্গাল। বাংলার
গৌরব কেমন?
.
মিশরের বাদশাহ
একবার একটি
আন্তর্জাতিক ইসলামিক
সেমিনার করেছিলো
কায়রোতে। সেই
আন্তর্জাতিক
সেমিনারে পুর্ব
পাকিস্তান থেকে
একমাত্র ফখরে বাঙ্গাল
(রহ.) কে আলেম হিসেবে
দাওয়াত করেছিলো। এর
কারণ তার যুগে ফখরে
বাঙ্গাল (রহঃ) ছিলেন
পূর্ব পাকিস্তানের
আলেমদের মধ্যে
সবচেয়ে বড় আলেম।
তিনি মিশরের
বাদশাহর দাওয়াত
গ্রহন করলেন। সেখানে
ফখরে বাঙ্গালকে এক
অধিবেশনের সভাপতি
নিযুক্ত করা হলো।
.
তখন
মিশরের আলেমগণর
মধ্যে বাতিলপন্হি
ছিলো, এখনো আছে।
তাদের মধ্যে ভ্রান্ত
আমল সমূহের মধ্য একটি
হলো, মিশরের
বেশির ভাগ আলেম দাড়ি
রাখেনা।
.
এমন একজন
দাড়িকাটা আলেম ফখরে
বাঙ্গাল(রহ.) এর
সভাপতিত্বে অধিবেশন
চলাকালে বললেন যে,
আমাকে বক্তব্য দেওয়ার
সুযোগ দিন। আমি নবীজি
(সাঃ) এর সুন্নতের উপর
একটি বক্তব্য রাখবো।
.
তখন ফখরে বাঙ্গাল(রহ.)
বললেন, আপনার নিজের
মধ্যেই তো সুন্নত নাই।
দাড়ি কাটা আপনি
সুন্নতের উপর কি বক্তব্য
রাখবেন?
.
তখন ঐ মিশরি
আলেম বললেন, ইসলাম তো কেবল
দাড়ির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
.
প্রতুত্তরে ফখরে
বাঙ্গাল (রহ.) বললেন
হ্যাঁ, ইসলাম দাড়ির
মধ্যে নেই কিন্তু
ইসলামের মধ্যে দাড়ি
আছে।
.
তখন ঐ আলেম
চুপচাপ গিয়ে
বসে পড়লেন।
.
সেই
অধিবেশনে যারা উপস্ত
আত ছিলেন তারা ছিলেন
তত্কালিন বিশ্বের
শীর্ষস্হানীয়
উলামায়ে কেরাম।
এদের মধ্যে আলোচনা শুরু
হলো মাযহাব নিয়ে।
তাদের অনেকেরই দাবি
আমরা কেন মাযহাব
মানবো? ইমাম
আবুহানিফা (রহ.), ইমাম
শাফেয়ী(রহ,), ইমাম
মালিক (রহ.), ইমাম আহমদ
বিন হাম্বল (রহ.)
উনারা যদি গবেষণা
করে ইসলামের বিধান
বের করতে পারেন
তাহলে আমরা কেন
পারবো না? উনারা যে
কোরআন হাদিস পড়েছেন
আমরাওতো তাই পড়ছি?
কাজেই আমরা চাইলে
উনাদের মাযহাব বাদ
দিয়ে আমরা নিজেরা
গবেষণা, রিসার্চ করে
নতুন ভাবে মাযহাব
তৈরি করবো।
.
ফখরে
বাঙ্গাল (রহ,) কে
কটাক্ষ করে প্রশ্ন করা
হলো গবেষণার দরজা কী
বন্ধ? তিনি বললেন,না
গবেষণার দরজা
কেয়ামত পর্যন্ত খোলা।
তখন তারা বললেন
তাহলে যারা গবেষনা
করে গেছেন আমরা
তাদের মাযহাব মানবো
কেন? আমরা নিজেরা
গবেষণা করে চললে
অসুবিধা কি?
.
তখন তিনি
বললেন ঠিক আছে
আপনারা গবেষণা
করবেন, কিন্তু মনগড়া
নাকি কোরআন হাদিসের
আলোকে?
.
তারা বললেন
কোরআন হাদিসের
আলোকে।
.
তখন তিনি
তাদের জিজ্ঞাসা
করলেন, আপনারা যারা
হানাফী মাযহাব,
শাফেয়ী মাযহাব,
মালেকী মাযহাব,
হাম্বলী মাযহাব
মানবেন না, নিজে
গবেষণা করবেন,
আপনারা রাসুলের
সবগুলো হাদিস জানেন?
তারা বললো, না। তার পর
তিনি বললেন একলক্ষ
হাদিস? তারা বললো
না। তারপর বললেন
৫০হাজার? তারা বললো
না। তারপর বললেন
১হাজার হাদিস সনদ সহ
বর্ণনাকরিদের জীবন
ইতিহাস সহ?
.
তখন তারা
বললো, আমি জানি
১০টি, তিনি জানেন
আরো ১০টি, তিনি
জানেন আরো ১০টি
হাদিস, এভাবে আমরা
সম্মিলত ভাবে গবেষণা
করবো।
.
নিজের ইলমের
দ্বারা চলেনা অন্যের
কাছ থেকে ইলম হাওলাত
করবে! তখন তিনি
বলেছিলেন, ১০০টি
ছাগল দিয়ে একটি
ঘোড়ার বোজা বহন
করানো যেমন সম্ভব না,
ঠিক তেমনি আপনাদের
মত ১০০ আলেমের দ্বারা
একজন আবু হানিফা (রহ.)
এর কাজ আঞ্জাম দেওয়া
সম্ভব হবেনা।।

মুফতী সিরাজী